Archive for the ‘Uncategorized’ Category

A Mother’s Vows

Tears you bring my eyes are,
Puzzles Unsolvable;
I love you to the moon and back,
My dearest trouble!

I cry when I look at you,
I cry on your smile,
I cry when you’re in sleep,
I cry because, you’re worthwhile!

I felt you in my womb,
You’re in my heart.
You run my senses,
When my world falls apart.

I prayed for a baby girl,
God sent me you,
You are my world of happiness,
That I’ll always pursue!

You are my precious girl,
A beautiful sunshine,
You’re the sign of…
The purity divine!

I’ll be there for you,
Whenever you need;
I’ll cross the river of fire,
For you I’ll bleed!


05.08.2022

প্রজাপতির মৃত্যু

বুকের ভেতর দুমড়ে-মুচড়ে,
গুমড়ে কেঁদে কাটায় যে শূন্যতা,
তার যদি প্রকাশের শব্দ থাকত;
তবে শুনতে পেতে…
কত লক্ষ-কোটি আহাজারিতে—
আমার ভেতরে তোমার শূন্যতার মিছিল চলে!

কিন্তু তোমার ক……ত ব্যস্ততা!
আমায় শূন্যহাতে দাঁড় করিয়ে
লাল রঙে সেজে চড়ে বসলে,
মেঘের ভেলায়, একা!
আমি এখন আর আলাদা করতে পারি না…
স্বপ্ন কি বা বাস্তব!
আমি চোখ বন্ধ করি বার বার, বারংবার,
যেন চেখ খুললেই নিজেকে তোমার বাহুবন্ধনে দেখব!
আর তোমার বুকে নাক ঘষতে ঘষতে বলব——
“কিছু স্বপ্ন এত ভয়ংকর কেন হয়?”

আমার হাত এখন আর মেহেদী রাঙায় না!
রাস্তা রাঙিয়ে তোমার লাশের যে দগদগে দাগ,
তা আজো আমার হাত শুকোতে দেয়নি!

একলা দূর্গ

আমি এক বামপন্হী!
জটিলে আমার আকাঙ্খা,
অপ্রতুলতায় আমার স্পর্ধা,
সময়ের প্রচন্ডতায় আমি খাপছাড়া!

আমি এক বামপন্হী!
বিক্ষুদ্ধ জনমন্ডলে সবাই যখন সিপাহী,
আমি নিই সন্ন্যাস!
আমি গেরুয়া বিছিয়ে অভাবের সাথে
দুঃখ ভাগ করি!
এক ভাগ ওর, এক ভাগ তার,
হয়ত….দুই ভাগ আমার!

বামপন্হী আমি খড়গ হাতে
সুখের ভিক্ষে করি!
কেউ আতঙ্কে দান করে,
কেউবা দেয় ভো-দৌড়!

আমার বামপন্হী গায়ে লেপ্টে থাকে,
সন্তানের ছোট্ট, মোলায়েম আদর!
কোমল হাতদুটিতে,
আমি করি আহ্লাদের আদিক্ষেতা!
আমার বামপন্হী অন্তর নিংড়ে ঝরে,
ভালবাসার গাড় লাল নির্যাস!

আমার বামপন্হী চোখে ধাঁধা লাগায়,
হাতের মুঠোয় থাকা,
সবার সুখের বার্তা।
শাড়ীর সুখ, স্বামীর সুখ!

আমি বামপন্হী,
হিসেবের মেলা খুলি।
যেখানে বসে ভালবাসার কোলাহল,
প্রেমের ফুলঝুরি!
সেখানে দুঃখের ঢোকা বারন!
দুঃখ জাপটে বসে দূরের ঐ কোণায়,
মলিন কাপড়ে, তাচ্ছিল্যের উপরে!
মেলা জমলে আমি গিয়ে বসি,
গেরুয়া বিছিয়ে,
দুঃখের গা ঘেষে।
দু’য়ে মিলে করি সুখের ভিক্ষে!

আমি এক বামপন্হী মানুষ!
আনন্দের সমাহার ছেড়ে,
আমি হাটি নিঃসঙ্গ দূর্গের খোঁজে!


০৪.১২.২০২২

একটি প্যান্ডেমিক কাব্য

পরিযায়ী পাখি ঝাপটে ডানা,
ফিরছে সবাই ঘরে;
ছকে চলছে মানব সমাজ,
প্যান্ডেমিকের ডরে!

গাছ মেলছে নতুন সবুজ,
মাস্ক ঢেকেছে হাসি;
নিত্য ছন্দ পতনে সবার,
সুখ হয়েছে বাসি!

এসব নিয়ে এইতো জীবন,
বেশতো আছি ভালো;
বেঁচে থাকার মিরাকলে,
দেখছি দিনের আলো!

দেখছি পাখির কেঁচো খাওয়া,
কাঠবেড়ালীর নাচ;
আরো দেখছি বাহারী রঙে, 
ছেয়ে যাচ্ছে গাছ!

কালের চাঁকা তার গতীতে,
চলছে আন্তর্জালে;
জীবন ঘড়ি দিচ্ছে ফাঁকি,
প্যান্ডেমিকের ছলে!

গলিত প্রেম

যার প্রেমেতে চিত্ত বিষাদ্
সে ধরনীর বিসর্জন;
যাহাতে নিত্য তিক্ততা শুধু;
তাহাতেই ঝরে শেষ ক্রন্দন!

০২.২৭.২০১৮

দূরের তারা

স্বপ্নরা সব ধূসর মলিন,
দূরে মেলছে পাখা,
শাড়ীর ভাঁজ খুললে দেখি,
তোমার স্মৃতি রাখা!

শক্ত হাতে ধরেছিলাম
নরম সুতোর বাঁধন,
কুচির গোড়ায় টুকরো গল্প,
আঁচলে ঢাকা ভাঙন!

জমীন ভরা বিষাদ ব্যথা,
সুখ সে পাড়ের কাজ;
ন্যাপথলিনের গন্ধে তাজা,
রেখেছি শাড়ির ভাঁজ!

বন্ধ চোখে তোমার সাথে,
আমি বাঁধনহারা,
কালো আকাশে তাকিয়ে খুঁজি,
“তুমি” সে কোন তারা?

চোখের জলে তোমার ছবি,
আঁকছি তুমি দেখো,
দূর আকাশের তারা, তুমি….
ভীষন ভাল থেকো!
০২.০৮.২০২২

উপলব্ধি

এক যে ছিল হাঁস,
মনের দু:খে বনে গেল
করবে একা বাস।

এক যে ছিল কৈ,
বলল বন্ধু হাঁস কে ডেকে
বড্ড বোকা তুই।

প্যাকপেকিয়ে হাঁস,
উঠল তেড়ে কৈয়ের কথায়
বলে “কী বলতে চাস?”

কৈ বলল হেসে,
থাম রে ব্যাটা বলছি তোরে
শোন ঠান্ডা মাথায় বসে।

করিস না হাসফাস,
মনের দু:খ ভুলে একটু
মুখ তুলে তুই হাস।

নিজের দু:খ গাঁথা,
দে ছড়িয়ে আকাশ পানে
ভাব যে দশের কথা।

দু:খ আছে সবার মনে,
তাই বলে কেউ সব ছেড়ে আর
বাস করে না বনে।

জীবনখানা তোর,
পরের দু:খ লাঘব করে
খোল সুখের-ই দোর।

শান্তি যদি চাস,
তবে নিজের ভীতর ডুব দিয়ে খোঁজ
কেন যে হলি হাঁস।

কেন হলি না চিল,
আর কেন হলি না বক,
এই উত্তর খুঁজে পেলেই
তোর জন্মটা স্বার্থক!

হঠাৎ আলাপ

আমার একটা গল্প আছে,
বলব না হয় তোমার কাছে,
কোন এক জ্যোৎন্সা রাতে,
কিংবা কোন বিকেল এলে।

চায়ের দু’কাপ পাশাপাশি,
আমরা বসে ঘেসাঘেসি,
ঠিক যেন সেই পুরনো দিন,
গল্প বলার সময় সেদিন।

গল্প শুনেই ভুলে যেও,
আর কাউকে না জানতে দিও,
গল্পটা যে ভীষন একার,
সময় কোর মিলিয়ে দেখার।

তোমায় বলব সবটা খুলে,
পদ্ম যেমন পাপড়ি মেলে,
অজানা গোপন কথা যত,
কান্না হাসির পাহাড় শত।

শুনবে কি ভাই গল্পটা মোর?
সাধ্য কি আর করব যে জোর!
ব্যস্ত তুমি ভীষন জানি,
কিন্তু তোমায় আপন মানি।

জানি তোমার অনেক তাড়া,
একদিন এসো কাজ করে সারা,
সকাল কি বা রাতের দুপুর
একলা আমি তাই সময় প্রচুর।

আজ তবে যাও বিদায় নিয়ে,
খুদে বার্তা দিয়ো গিয়ে,
আজ যে তোমার অনেক কাজ,
থাক বাকি সব কথার ভাজ।

“চিঠি টু ম্যাসেজ”

আমি চিঠি লিখি না অনেক দিন।
কাকেই বা লিখব?
ঠিকানা জানা নেই কারো।

জানতে হয়ও না।
কারো হদিশ না পাই যখন,
মুখবই খুললেই হয় এখন।

মুখবই দেখি,
উল্টে পাল্টে, করি উপর নিচ।
কথা কইতে মন টানে না!

চিঠির ভাব কি আর মুখবইয়ে আসে?
আসে না!
অন্তত আমার তো নয়ই!

মাঝে মাঝে মনে হয়,
কেউ চিঠি লিখুক আমায়।
খুব চাই,
চাই একটা চিঠি এসে দরজায় উপস্হিত হোক।

“প্রিয়তমেসু, কেমন আছো?” লেখা থাকুক।
কিংবা “মা রে ভালবাসা নিস!” অথবা
“আপু, আশা করি ভালো আছো!”

আমিও চাই কাউকে উত্তর দিতে।
“ভাল আছি”, অথবা “তোমাদের জন্যেও ভালবাসা”!
মুখবই আছে, নেই শুধু ঠিকানা!

রানার হারিয়েছে, হারিয়েছে ডাক্ পিয়ন-ও।
এসেছে ম্যাসেন্জার!
আচ্ছা! ম্যাসেন্জার কি রানার?
মুহূর্তে পৌছে দেয় কথা প্রান্তর থেকে প্রান্তর।

তবু লেখা হয় না!
কথারা জমাট থাকে,
জমতে থাকে।
আর আলস্যর ভীড়ে জমে তাতে গেরুয়া ধূলী!

আমি একটা চিঠি পেতে চাই,
হোক না তার দাম একফোটা আধুলী!

১০.১০.২০২০

উষ্ণতা

চাতক পাখির দৃষ্টি তার, মেঘের বারী যেন আমি
তার দৃষ্টির বর্ষায় তথাপি আমার স্নানের সম্মতি
গভীর নেত্র পটে যেন কোন একাকী সলীল স্পর্শের আবেদনে
কূলের বুকে আছড়ে পড়ে বার বার
ক্ষত বিক্ষত তীর……
তবুও স্পর্শের আনন্দ………শান্ত সমুদ্র নাকি বন্য?
হিংস্র যেমন বনের অভুক্ত সিংহ !!!
গভীর শান্ত দৃষ্টি…..উষ্ণতায় পূর্ণ
যেমন তছনছ করা ঝড়ের আগে স্থির কোন সমুদ্র
শুধুই কি দেবার আনন্দে……
একটু তো স্পর্শ তবুও যেমন উষ্ণ মমতার কোন উদর

উষ্ণ সে কেবল ভালবাসার উন্মাদনায় 🙂

October 17,2012