Archive for November, 2013

A Journey To The Museum….

Yesterday I have made a tour to “The Metropolitan Museum of Art : Islamic Art and History” for my History of Islamic Civilization class. I have met a moderate amount of stupid rich people on my way to the museum who love to wear a lot of fancy metallic ornaments and fancy clothes and talk about their boring internet base communicating life! Trying to let others know that how happy they are with all these stupid things! Some are so strange as the way they are! They are fascinated to think people who are not that rich, bear all kind of germs and viruses what are contiguous. If that “Non-Rich” person touches them by any chance they might get attacked by the bad viruses and they might get sick, so they get angry very easily when they feel that you might touch them! Whatever, that was not my point at all, I loved the tour with myself anyway!

My goal was to make the visit with my class, but there were some serious issues came up that was hard for me to avoid. First, I had to meet a very important person regarding my academic management. So I decided to attend my class with the morning session instead of the evening. When I went to meet that VIP, the person asked me to wait to have her comfortable time, I was generous for my own interest so I waited and waited about 35 minutes! After I am done with my meeting, I rushed towards the bus stop. Bus came after wasting my 15 minutes. I was still happy! I get into the bus I found someone about my age so I started talking. At the end of the bus stop we both had to get off in the middle of our certain chat and I started the most important part of the tour. “The Train” (very useful underground bison) and that was quite busy and occupied. I was happy till then! After I done with my train tour I was needed to take another bus, so I started asking people (I’m a 90s kid, and I prefer human rather than any machine) which way I should go? But they gave me wrong instructions ( I suppose that I should change my thought). Because, I trusted human I had to take a long U turn walk to come back to the place where I was started asking people. When I was back to the point I learned that I could take the desirable bus by walking 2 minutes from that point if I would depending on my electronic device! However, I took the bus, and stepped into the museum late. My class was somewhere and I was somewhere. So I had to make the whole amusing museum tour by myself and taking notes on to it (YUCK)! But I loved it!!! Even this is also not my point. My point is one especial terrible situation that I had to face while I was inside of the train.

The train was taking stoppage different platforms, people were getting off and on. I was blessed literally so I got a place to sit and the next sit became empty on the next stoppage and the incident had taken place:

With rush an egg-plant shaped Spanish man (I want to use PIG) got into the compartment and directly sat beside me. He was almost sitting on my lap, but somehow he decided to sit next to me. Okay, never mind! It was not done by purpose that what I thought and I let it go. The man was fat with a huge belly. Then he started playing with his arms, moving his left elbow, pocking me over and over, and playing a game on his cell phone. Wanted to say “You need to learn some manner while you sit next to a lady” but I hold my mouth and keep shut! He possessed one third of my sit still; I kept quiet. After that with sudden rush he started to search his pockets holding next to me, pretending he was looking for another cell phone. Right at that time he pushed me near to my armpit with his same left elbow. I got shocked and was about to say “Stop Being A PIG” but I didn’t do anything instead I just moved my neck to my right and look at him, he said “Ow I’m Sorry!” again, I let it go! A man standing in front of me just gave me a pity smile watching my situation.

Then I got little sneaky to know what is exactly that pig was doing. I saw there was another Spanish bulky man sitting next to that pig, but that pig was letting the man to have some extra space and trying to squeeze me as much as it can. Then I understood what I supposed to understand long before. But still, I was being gentle! It remained the same, playing its hands here and there and trying to laying its full piggy body over me and laughing as well as shaking its whole belly with the bit of laugh(eeeeeww…)! I was just being gentle and extra gentle. At last my platform knock around the corner. I stood up from my sit, grabbed my jacket with one hand, turned to the right and pull my 20LBs bag to my neck with a swift round motion and I felt AHHA!!! There You Go….. It did hit that stinky pig! Did not bother to look back after all. Train operator opened its door and I left. All I was listening, a voice from my inside “That’s it you filthy PIG! This is what you get after messing with a GIRL and that GIRL is not sorry AT ALL!”  I never felt this peace before in my life!

E: N: I was never being gentle, I was just planning to hit over that PIG’s face with my back-pack! 😛

ইউনিভার্সিটি… মেমোরিয়াল

মনে হয় এইতো সেদিনের কথা। ইউনিভার্সিটিতে কাক ডাকা ভোরে যখন ক্লাস করতে যেতাম সব অভাগী মিলে।কাক ডাকা ভোর বলছি কারন রাত দুটো তিনটে অব্দি গাল গপ্পো আর হাঁসির সমুদ্র পার হয়ে যখন ঘুমোতে যেতাম, সকাল আঁটটার ক্লাস তত বেশি আবছা সকালের মনে হত! ইউনিভার্সিটি সেও এক আজব জায়গা! সব কিছু শিখিয়ে পড়িয়ে এমন মানুষ বানাবে যে বান্দা বিগত জীবনে কি শিখেছিল তা তো ভুলবেই ভুলবে সাথে এটাও মনে করা দুষ্কর কোন কালে সে যে মানুষের ঘরে জন্ম নিয়েছিল। হলের জীবনের কি সেসব দারুণ অভিজ্ঞতাই না! আহা! বড্ড মনে পড়ে সময়ে অসময়ে! টেলিভিশন রুমে অকারনে বসে অন্যদের আনন্দের বারটা বাজানোর যে কি মজা! কোন কারণ ছাড়াই বেচারা টেলিভিশন কন্ট্রোলার কে কেবলমাত্র বিপাকে ফেলে নাস্তানাবুদ করার আনন্দেই অন্যদের সাথে গলা মিলিয়ে চেঁচিয়ে সমস্ত চ্যানেলের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলা চে………ই………ঞ্জ!!! আর যখন সে বেচারি ঘাড় ঘুড়িয়ে চোখ পাকিয়ে বলে উঠত কি দেখবেন আপুরা? কেউবা আক্ষেপে সে যন্ত্রটি যখন ছুড়ে দিয়ে মুখ গুমরে হাত পা গুঁটিয়ে নিয়ে বসত সে আনন্দের সীমা অন্য কেউ কীভাবে বুঝবে! আর শেষের দিনগুলোতে সেবার ফুটবলের বিশ্বকাপ যখন এল আর সেমি ফাইনালে যখন আর্জেন্টিনা হেরে গেলো স্পেন এর কাছে কি নাচ টাই না নেচেছিলাম আর্জেন্টিনার ভক্তদের উদ্দেশ্যে! কিন্তু তার জন্যে মটেও দুঃখিত নই, ক্ষমা চাইব সেসব বন্ধুদের (যদি ওই সময়ে খানিকটা পিশাচ জাতীয় কিছু হিসেবেই প্রতিভাত হয়েছিলাম) কাছে তেমন আশা যেন তারা ভুলেও না করে কেউ! তারপর যখন ব্রাজিল হারল ফাইনাল এ? অত পুরনো গোবর ঘেঁটে কাজ কি!

হল এ কোন উৎসবের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে যখন ঘোষণা করা হত আকর্ষণীয় খাবার দেয়া হবে। সে কি নিদারুণ করুণ আরামদায়ক দৃষ্টি হরনকারী দৃশ্য! আহা! যদি সেখানে আমাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয় করা হত! ইউনিভার্সিটিতে আদরের সন্তানদের পড়ানোর অভাবনীয় স্বাদের কল্পনার সমাপনি যে সেদিনই টানতে হত তাতে সন্দেহ বিন্দু মাত্র নেই কারো। অভুক্ত কাঙালরা সে কি খুশিই না হত! তবে সে খুশীর তীব্রতা ছিল ক্ষণস্থায়ী। হাত খরচের টাকায় অতি কষ্টের কাষ্ঠ হাঁসিতে কেনা খাবারের অমূল্য বাক্স হাতে পাবার পর মুহূর্তেই মুখের ফুঁ তে ফুলিয়ে ফুলে ফেঁপে ওঠা বেলুন এই বাঁধি কি ওই বাঁধলাম বলতে বলতেই ফটাস আওয়াজ করে লোক জানিয়ে ফাটার মতই দুর্বিষহ যন্ত্রণার হত সহ্য করা! তবুও অভুক্তের দলতো! সেও ভুলে যেতাম মুহূর্তেই! আর সব দুঃখ ভুলে মেতে নামতাম উৎসবের আমেজে ফুরফুরে মেজাজে। সেই সে হাঁসি কি যে হাঁসি! এখন এত মজার মজার খাবার খাই কিন্তু মনে হয় কত যুগ ধরে সেই আমেজে, ওরকম তৃপ্তির হাঁসি যেন আর বের হয় না কিছুতেই! সে হাঁসি সত্যি-ই বড়ই দামী। আর তা অনুভব করতে ছাড়তে হয়েছে ইউনিভার্সিটির আঙ্গিনা!

আগেই বলেছি ইউনিভার্সিটি এমন ভাবে বাছাগুলোকে শেখায় জীবনের কোন কিছুই মনে হয়না অসম্ভব! রোজ ভোরে ঘুম ভেঙ্গে কোনরকম পড়ি কি মরি করে হাত মুখ ধুয়ে কোন একটা কাপড় গত্রে চড়িয়ে খাবারের অনুসন্ধানে হলের ভিতরে উপস্থিত খাদ্য(অখাদ্যই বলাই শোভনীয়) প্রদানকারীর দায়িত্তে নিয়োজিত দাদুদের আলস্য নিদ্রায় ব্যঘাত ঘটানো যে কেবল পণ্ডশ্রম তা জেনেই যখন বাতাসের গতিবেগ নিয়ে দল বেঁধে বেরুতাম, বের হয়েই পথের উপর দৃষ্টি পড়তেই যা নজরান্দাজ হত তাতে পেটের ভাণ্ডার খালি থাকার অভিশাপ আশীর্বাদ হয়ে সহস্র গুনে ঝরে পড়ত মা সরস্বতীর দানে! কিন্তু সে পদার্থ যতই দুর্গন্ধযুক্ত অবাঞ্ছিত হোক তাকে অবজ্ঞা করলে কি আর বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়? তাই পাশে থাকা প্রিয় বান্ধবী বেচারিকে বলেই দিতাম “দোস্ত খুব বেশি খিদে লেগেছে?” বান্ধবী বেচারির সে কি করুণ চাহুনি! সে করুণ চাহুনি দেখে আক্ষেপে বলেই দিতাম “ঐ দ্যাখ সকালের তরতাজা খাবার, কেউ দ্যাখার আগে খানিকটা হাতে তুলে খেয়ে নে! জিনিসটা যে রাতের ডেলিভারিকৃত সে গ্যারান্টি আমি নিজে নিচ্ছি”! এরপরে প্রিয় বান্ধবীর নয়ন থেকে উৎসারিত উতপ্ত গলিত লাভা-সম দৃষ্টি দেখে কেবল বুঝে নিতে হত আগামী পরিক্ষায় আমাকে লাইব্রেরীতে একাই বসে প্রস্তুতি নিতে হবে! সত্যি-ই বড়ই প্রিয় স্মরণীয় সে সব দিনের স্মৃতি!

কিছু একাকী অলস স্বপ্ন…

অলস সময়ে মাঝে মাঝে বোধ হয় স্বপ্ন দেখেই বুঝি কেটে যাবে। সুস্বপ্ন, দুঃস্বপ্ন, অবাঞ্ছিত স্বপ্ন তারও সাথে কাল্পনিক সপ্নেরও আড্ডা খুব জমে। আরও বেশি স্বপ্ন দেখি যখন দেখি দেশের যুবা গুলোকে অকারনে সময় এর কাটাকে ইচ্ছে করেই বারোর ঘরে ফেলে রাখছে। আর তা হবেই বা না কেন? বেশিরভাগ পরিবারের রোজগেরে নিয়মের মধ্যে অন্যতম একটা হল পরিবারের প্রধান দের সকাল বেলা পত্রিকা খুলে আরামে এক কাপ চা নিয়ে বসে বড় দুঃখের সঙ্গে আফসোস করা বলা- আহা! দেশটা বড্ড বুড়িয়ে গেছে! তারা জেনেই গিয়েছেন এই দেশের পক্ষে আর কিছু করা সম্ভব তো না…ই, বরং তাকে দিয়ে কিছু করানোর ভাবনাটাও মড়ার ঘাড়ে খাঁড়ার আঘাতের মতই অমানবিক। আর তারা পবিত্র গীতা আওড়ানোর মতই প্রতি মুহূর্তে যে পবিত্র বাণীর পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করেন তা হল “যদি হয় বাছা প্রবাসে নিবাস; চিরতরে হইবে স্বর্গবাস”! আর বাছারাও বেশ আদব কায়দার অনুসরণ করে। পরিবারের বড়দের অবাধ্য হবার দুঃসাহস না করে সরল মনেই মেনে নেয় এই দেশের কিছুই সম্ভব না! দেশ এখন লাইফ সাপোর্ট নিয়ে বেঁচে রয়েছে, যে কোন মুহূর্তেই আশঙ্কাজনক কিছু ঘটাই স্বাভাবিক। একটা স্বপ্ন (দুঃস্বপ্ন নাকি সুস্বপ্ন বলা উচিত বুঝছিনা) বেশ মাঝে মধ্যেই হানা দিয়ে চলে আমার অবচেতন চিন্তায়, মাঝে মধ্যে গুছিয়ে এনে সেটা সংরক্ষণ করতে চেয়েও অনেকবার ভুলে গিয়েছি! আজ আবারও স্বপ্নটা দেখেই সংরক্ষণের লোভ সামলাতে পারলাম না। আমার স্বপ্নটা কিছুটা এরকম-

আমরা যারা শিক্ষার পুলসিরাত পার হবার মহান দুঃসাহসে পরিবারের মান রক্ষার ব্রত নিয়ে সৃষ্টিকর্তা, ঠাকুর, দেবতার নাম জপে বিসমিল্লাহ্‌ বলে পা রাখি কম বেশি তারা সবাই জানি এটা কোন স্বত্বত্যাগের বাসনা নিয়েও নয় আবার কোন মহান উদ্দেশ্য সাধন করার পরিকল্পনাও নয়, এই শিক্ষার মহান ব্রত হচ্ছে “শিক্ষার ভূষণ, করগো যতন, তবেই পাইবি মহাদেবের দর্শন!” আর এই মহাদেবের দর্শনের মহান ব্রত নিয়েই যে তাদের শিক্ষিত হবার যজ্ঞে যোগদান সে তর্ক কোন অন্যদিন করাই বাঞ্ছনীয়! আর সে মহাদেবের দর্শনের বাসনা ছেড়ে যখন মহাদেবের বর্ষণের বাসনা এসে ভর করে অন্তরচিত্তে, তখন আমরাই স্ব-ইচ্ছায় লেগে যাই চিকিৎসা সেবা কিংবা প্রকৌশলী সেবা প্রদানের শিক্ষা অর্জনের তপস্যায়! জীবনের সকল সুখ ত্যাগ করে, দিন রাত ধ্যানমগ্নতায় এক তৃতীয়াংশ প্রানের প্রাণ বায়ু এই যায় কি ওই যায় হালে সে শিক্ষার আশীর্বাদ তো মেলে কিন্তু বিগত যৌবনার মনঃতৃষ্ণার জ্বালার মতই প্রখর হয়ে ওঠে মহাদেবের বর্ষিত দানের। আর রক্ত পিপাসু রাক্ষসের মতই মহাদেবের বারিধারা পান করতে থাকি চো চো শব্দে! আহা! কত যে আরামদায়ক সে অমৃত! আর আমার সপ্নের শুরুটাও এখানেই…… (দুঃখিত এতক্ষণ কেবলই ছাইপাশ বলে মূল্যবান সময় নষ্টের জন্য!)।

ধরা যাক দেশে রাজনিতির একতরফা তরফদারি নেই, রাজনীতিতে যে কেউই অংশ নিতে পারবে আর যে কেউ ই হতে পারবে দেশের প্রধান মন্ত্রী, কিংবা রাষ্ট্রপতি (আমি আমার সপ্নের কথা বলছি, কোন রাজনৈতিক উসকানি দেয়া মোটেই আমার উদ্দেশ্য নয়)।
কিন্তু যেই রাজনীতি করতে চাইবে তাকেই পূরণ করতে হবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত। হতে হবে সত্যিকারের স্ব-শিক্ষায় সু-শিক্ষিত। আর তারপর তাকে বাধ্যতামূলক ভাবেই নিতে হবে কিছু প্রশিক্ষণ (হতে পারে তা ৬ মাস কিংবা হতে পারে এক বছর)।
তাকে অনুধাবন করতে হবে দেশের নিম্নস্তর থেকে সর্বচ্চ স্তরের মানুষের জীবনী।দূর থেকে এফ. এম. রেডিওতে শুনে কিংবা পর্দায় দেখা চলচ্চিত্রের মতন নয়, তাকে থাকতে হবে সেইসব মানুষের সাথে, অংশ নিতে হবে সেই সব ধারার কাজে যা সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের কাজ, উপলব্ধি করতে হবে প্রতি মুহূর্তে তাদের জীবনী। আর এটা কেবল কোন রাজনৈতিক নেতা হবার বাসনা নিয়ে যারা থাকবে তাদের জন্যই নয়, যারা চিকিৎসা কিংবা প্রকৌশলী কিংবা লেখক হতে চাইবেন তাদেরকেও কাজ শুরু করার আগে গড়ে আনতে হবে এই প্রশিক্ষণ এর মধ্য দিয়ে। এখন যেমন আছে চিকিৎসা, প্রকৌশল, সমাজসেবার জন্য ভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা, তেমনি রাজনীতির শিক্ষা গতানুগতিক পৌরনীতি নয়, হতে হবে অনেক বেশি প্রায়োগিক, হতে হবে বিজ্ঞানসম্মত। আর রাজনীতিতে অংশ তারাই নিতে পারবেন যাদের রয়েছে ওই বিশেষ বিষয়ের উপরে শিক্ষার সনদ। ঠিক যেমনি থাকে কোন স্বনামধন্য উকিল, কিংবা কোন দাঁতের চিকিৎসকের। এছাড়া অন্যরা যাদের পূর্ণ বাসনা থাকবে রাজনীতিতে অংশ নেয়ার,তারা অতীতে কোন কারনে যদি ভিন্ন বিষয়ের উপরে জ্ঞান  নিয়ে থাকেন কিন্তু তবুও রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত হতে চান তারা রাজনীতির উপর পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা কোন সংক্ষিপ্ত মেয়াদে শিক্ষার স্তর পার করলেই প্রবেশ করতে পারবেন নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী, কিন্তু মূল বিষয়ের লক্ষ্য হতে হবে হাতে কলমে নেয়া প্রশিক্ষণ। কোন ভাষণ, সম্ভাষণ নয়, সরাসরি মাঠে নেমে যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে তবেই হতে পারবেন কোন পদের উপযুক্ত। এখানেই সমাপ্তি ভাববেন না দয়া করে, এর পরে তাদের কে হতে হবে অন্য একটা অহিংস লড়াইয়ের সম্মুখীন। এবার ছেড়ে দিতে হবে নির্বাচন জনগণের হাতে। জনগণ যাকে পছন্দ করবে সেই হবে সল্প মেয়াদি রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধান মন্ত্রী, উপমন্ত্রি, সহ মন্ত্রী কিংবা অন্যান্য পদের পদধারি। হতে পারে সেটা ডিজিটাল ভোট ঠিক যেমন হয় আমাদের দেশে সঙ্গীত শিল্পের বাছাইকরণ। যেখানে ভোট কারচুপির কোন অভিযোগ উঠবে না। কারণ ভোটার যখন কেউ হবেন তখন তিনি  তার নামের সঙ্গে যে কোন একটি হাতের কেবলমাত্র একটি আঙ্গুল ব্যবহার করবেন তার ভোট প্রদানে আর এটাও হবে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমেই। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পুরো দেশের জনগণ কম্পিউটার আর মুঠোফোনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের হাতের পূর্ব নির্বাচনকৃত আঙ্গুল দিয়েই নিশ্চিন্তে ভোট প্রদান করে হাতে কলমের কালী লাগিয়ে প্রফুল্লতার সাথে ঘরে ফিরে আসবে। যদি কেউ একই হাতের ভিন্ন কোন আঙ্গুল ব্যবহার করতে চায়, কিংবা একই আঙ্গুল বার বার ব্যবহার করতে চায় তবে কম্পিউটার তা সসম্মানে চিনে নিয়ে সেই হাতের ভোট নিতে অসম্মতি জানাবে। পূর্ণ স্বাধীনতাই থাকবে ব্যক্তির নিজের পছন্দের বা অপছন্দের। এই নির্বাচনে যারাই নির্বাচিত হবেন তাদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্তরিক অংশগ্রহণ তার সাথে সমাজের সব বিজ্ঞ মানুষের উপদেশ, সমান নিঃস্বার্থ মনোভাব আর সহযোগিতায় শুরু হবে দেশ পরিচালনা।দেশের যে কোন দুর্বিষহ সময়ে সমাজের বিজ্ঞ ব্যক্তিরা তাদের মতামত প্রদান করবেন তরুন সমাজকে সঠিকভাবে পরিচালনের শপথ নিয়ে। এরপর ধিরে ধিরে অন্যরা যারা নীচের পদে মনোনীত হয়েছিলেন তাদের জন্যও সুযোগ থাকবে তাদের কাজের যোগ্যতা অনুযায়ী উপরের পদে উন্নীত হবার। অন্যদিকে যারা অন্যান্য পেশায় সেবা দান করার জন্য মনোনিবেশ করবেন তাদেরকে জন্য কেবল হাতে কলমে সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের জীবনকে অনুধাবন করার প্রশিক্ষণ নেয়াই যথেষ্ট। আর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মূলমন্ত্র হতে হবে দেশের মূল্যবোধকে অনুধাবন করানো, উদ্দেশ্য হবে সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের সামাজিক সাথে মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানকে উপলব্ধি করানো।

প্রচণ্ড দুঃসাহস বুকে জমিয়ে আজ বলেই দিলাম নিজের স্বপ্নের কথা, হয়ত কারো কারো মনের কথাও! যদি এতে কারো ব্যক্তিসত্তায় কিংবা চিন্তাধারায় বিন্দুমাত্র আঘাত হেনে থাকে, তবে আমি সবিনয়ে ক্ষমা চাইছি। আমার উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করে, কারো চিন্তাধারাকে অমর্যাদা করা নয়। এ নিতান্তই আমার অলস মনের একাকী অলস ভাবনা। নিতান্তই অলস সময়ের সঙ্গী এ ভাবনা!